বরগুনায় মৎস্য বিভাগ এর অভিযানে হামলা

বরগুনায় মৎস্য বিভাগ – ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম শুরু রোববার থেকে। ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার সময় সারা দেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহণ, মজুত, বাজারজাতকরণ, কেনা-বেচা, বিনিময় নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ।

 

বরগুনায় মৎস্য বিভাগ এর অভিযানে হামলা

 

প্রথমদিন রোববার নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে বরগুনায় অভিযান পরিচালনার পর মৎস্য বিভাগের লোকজনের ওপর হামলা হয়েছে। চট্টগ্রাম নগরীতে পৃথক দুটি বাজারে অভিযান চালিয়ে মা ইলিশসহ ১৪০ কেজি মাছ জব্দ করেছে জেলা মৎস্য দপ্তর। এছাড়া চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে অবাধে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। ব্যুরো ও প্রতিনিধির পাঠানো খবর-

বরগুনা (দক্ষিণ) : হামলায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজনকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার রাত ৩টার দিকে বরগুনা পৌরসভার মাছ বাজারে এ ঘটনা ঘটে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। শনিবার সন্ধ্যা থেকেই বরগুনার মাছ বাজারে দাম কমিয়ে ৫০০ টাকা কেজিতে মাইকিং করে বিক্রি শুরু করেন মাছ ব্যবসায়ীরা।

 

বরগুনায় মৎস্য বিভাগ

 

আইন অনুযায়ী রাত ১২টার পর ইলিশ বিক্রির নিয়ম না থাকলেও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই বরগুনা পৌরসভার মাছ বাজারের কিছু ব্যবসায়ী রাত ৩টা পর্যন্ত ইলিশ বিক্রি করেন। পরে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের অভিযানে এক আড়তদারের কাছে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ইলিশ জব্দ করা হয়। এ সময় তাকে ৫০০০ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জব্দ করে নিয়ে যাওয়ার সময় মৎস্য বিভাগের লোকজনের ওপর মাছ বাজারের কিছু লোক হামলা করে।

চট্টগ্রাম : জব্দ করা মাছের মধ্যে ফিশারিঘাট থেকে ২০ কেজি মা ইলিশ ও পাহাড়তলী বাজার থেকে ১০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। এ সময় ৭০ কেজি রং মিশ্রিত লইট্টা, ফাইস্যা মাছ ও ৩০ কেজি পিরানহা জব্দ করা হয়। এছাড়া পাহাড়তলী বাজার থেকে ১০ কেজি ইলিশ জব্দ ও ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৪’ বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে এ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল আমিন হোসেন ও মো. ফাহমুন নবী। এ সময় চট্টগ্রামের মৎস্য জরিপ কর্মকর্তা মো. মাহ্বুবুর রহমান, ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা রাহুল তমার প্রাত এবং বাংলাদেশ নৌ পুলিশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

চাঁদপুর : সরেজমিন রোববার দুপুরে ফরিদগঞ্জ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বেশ কয়েকজন মাছ বিক্রেতা ইলিশের পসরা সাজিয়ে বসে আছেন। ইলিশের পসরা সাজিয়ে বসা মাছ বিক্রেতা জাবেদ, আবুল হোসেন ও আক্তার হোসেন বলেন, এগুলো আমাদের আগের মাছ। এখন মাছ বিক্রি ও কেনার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা চলছে-এমন প্রশ্নের জবাব দেননি। ফরিদগঞ্জ বাজারে মাছের আড়তদার দিলীপ চন্দ্র দাস বলেন, আমাদের কাছে ইলিশ নেই। তবে সকাল থেকেই কয়েকজন ব্যবসায়ী বাজারে ইলিশ বিক্রি করছেন। তাদের বাধা দিলেও তারা শোনেননি।

 

আরও পড়ুন:

Leave a Comment