বরগুনা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় জনপদ, যার ইতিহাস ও নামকরণ স্থানীয় ভূপ্রকৃতি, নদীনির্ভর জীবনধারা এবং লোককথার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। প্রশাসনিকভাবে বরগুনা প্রথমে ১৯৬৯ সালে পটুয়াখালী জেলার অধীন একটি মহকুমা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। পরবর্তীতে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসেবে ১৫ ফাল্গুন ১৩৮৯ বঙ্গাব্দে (খ্রিস্টাব্দ ১৯৮৪ সালে) দেশের অন্যান্য মহকুমার সঙ্গে বরগুনাকেও পূর্ণাঙ্গ জেলায় উন্নীত করা হয়। জেলা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বরগুনা একটি স্বতন্ত্র প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক পরিচয় লাভ করে।
বরগুনা নামের উৎপত্তি সম্পর্কে কোনো একক ও নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক দলিল পাওয়া না গেলেও, এ নামের পেছনে একাধিক ব্যাখ্যা ও জনশ্রুতি প্রচলিত রয়েছে। এসব ব্যাখ্যা মূলত নদীকেন্দ্রিক জীবন, নৌযান চলাচল, বনজ সম্পদ আহরণ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্মৃতিচর্চা থেকে উদ্ভূত। দক্ষিণাঞ্চলের নদীবহুল ও বনাঞ্চলঘেরা অঞ্চলে নামকরণ প্রক্রিয়া সাধারণত প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত থাকে—বরগুনাও এর ব্যতিক্রম নয়।
ঐতিহাসিকভাবে এই অঞ্চল ছিল নদী, খাল ও জলাভূমিতে পরিপূর্ণ। প্রাচীনকালে উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চল থেকে আগত কাঠ ব্যবসায়ী ও বাওয়ালীরা সুন্দরবন ও উপকূলীয় বনাঞ্চল থেকে কাঠ সংগ্রহের জন্য এ এলাকায় আসতেন। নদীপথই ছিল তাদের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। এ প্রেক্ষাপটেই বরগুনা নামের উৎপত্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন ব্যাখ্যার সূত্রপাত ঘটে, যা পরবর্তী সময়ে লোককথা ও স্থানীয় ইতিহাসের অংশ হয়ে ওঠে।
ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে বরগুনা জেলার উত্তরে ঝালকাঠি, বরিশাল, পিরোজপুর ও পটুয়াখালী জেলা; দক্ষিণে পটুয়াখালী জেলা ও বঙ্গোপসাগর; পূর্বে পটুয়াখালী জেলা এবং পশ্চিমে পিরোজপুর ও বাগেরহাট জেলা অবস্থিত। জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র বরগুনা শহর, যা একটি পৌরসভা হিসেবে পরিচালিত। বর্তমানে পৌরসভাটিতে ৯টি ওয়ার্ড ও ১৮টি মহল্লা রয়েছে।
বরগুনা জেলার নামকরণের ইতিহাস তাই শুধু একটি শব্দের উৎপত্তি নয়—এটি এই অঞ্চলের নদীনির্ভর অর্থনীতি, মানুষের জীবনসংগ্রাম ও ঐতিহাসিক স্মৃতির প্রতিফলন। পরবর্তী ধাপে বরগুনা নামের প্রচলিত বিভিন্ন ব্যাখ্যা ও জনশ্রুতিগুলো বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করা হবে।

বরগুনা জেলার নামকরণের ইতিহাস
বড় গোনা” ও নৌযান–নির্ভর ব্যাখ্যা
বরগুনা নামের উৎপত্তি সম্পর্কে যে ব্যাখ্যাটি সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য ও জনশ্রুতিতে প্রচলিত, তা সরাসরি এই অঞ্চলের নদীনির্ভর যোগাযোগব্যবস্থা ও নৌযান চলাচলের সঙ্গে যুক্ত। ঐতিহাসিকভাবে বরগুনা অঞ্চল ছিল অসংখ্য নদী, খাল ও শাখানদীতে বিভক্ত। বিশেষ করে খাকদোন নদী ছিল এক সময় অত্যন্ত খরস্রোতা ও বিপজ্জনক, যা পারাপারে নাবিক ও ব্যবসায়ীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করত।
লোককথা অনুযায়ী, উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চল থেকে আগত কাঠ ব্যবসায়ী, বাওয়ালী ও নৌকার মাঝিরা সুন্দরবন ও উপকূলীয় বনাঞ্চল থেকে কাঠ সংগ্রহ করতে এসে খাকদোন নদী পার হওয়ার জন্য অনুকূল সময়ের অপেক্ষা করতেন। নদীর স্রোত যখন অপেক্ষাকৃত শান্ত হতো বা বড় কোনো অনুকূল প্রবাহ (স্থানীয় ভাষায় ‘গোনা’) পাওয়া যেত, তখনই নৌকা পার করা সম্ভব হতো। এই ‘বড় গোনা’র অপেক্ষার স্থান হিসেবেই অঞ্চলটি পরিচিত হয়ে ওঠে।
ক্রমে ‘বড় গোনা’ শব্দটি স্থানীয় উচ্চারণ ও ভাষাগত রূপান্তরের মাধ্যমে ‘বরগুনা’ নামে রূপ নেয়—এমন ধারণা অনেক ইতিহাসবিদ ও স্থানীয় গবেষকের মধ্যে পাওয়া যায়। বাংলার বহু স্থাননামই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উচ্চারণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে বর্তমান রূপ পেয়েছে; বরগুনা নামটিও সেই ধারার একটি উদাহরণ বলে অনেকে মনে করেন।
এই ব্যাখ্যার শক্তি এখানেই যে এটি বরগুনা অঞ্চলের ভৌগোলিক বাস্তবতা ও মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। নদীর স্রোত, নৌযান, কাঠ ব্যবসা ও অপেক্ষার সংস্কৃতি—সবকিছু মিলিয়ে ‘বড় গোনা’ ধারণাটি কেবল একটি শব্দ নয়, বরং এই জনপদের প্রাচীন অর্থনৈতিক ও যোগাযোগব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি।
পরবর্তী ধাপে বরগুনা নামের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা—স্রোতের বিপরীতে ‘গুন’ (দড়ি) টেনে নৌকা পার করার তত্ত্ব—ভাষাতাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করা হবে।

‘গুন’ (দড়ি) টেনে নৌকা পারাপারের তত্ত্ব
বরগুনা নামের উৎপত্তি বিষয়ে আরেকটি বহুল প্রচলিত ও তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাখ্যা হলো ‘গুন’ (দড়ি) টেনে নৌকা পারাপার–কেন্দ্রিক তত্ত্ব। এই ব্যাখ্যাটি বরগুনা অঞ্চলের নদীনির্ভর বাস্তবতার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত এবং স্থানীয় ভাষা ও নৌচালনার ঐতিহ্যের প্রতিফলন বহন করে।
একসময় বরগুনা অঞ্চল ছিল খরস্রোতা নদী, প্রশস্ত খাল ও মোহনায় ভরপুর। বিশেষ করে জোয়ার–ভাটার প্রভাব এবং নদীর প্রবল স্রোতের কারণে অনেক জায়গায় বৈঠা বা পাল ব্যবহার করে নৌকা চালানো কঠিন হয়ে পড়ত। এমন পরিস্থিতিতে নৌকার মাঝি ও যাত্রীরা নদীর তীর বা স্থাপিত খুঁটির সঙ্গে ‘গুন’ (মোটা দড়ি) বেঁধে নৌকা টেনে পারাপার করতেন। এই পদ্ধতিটি ছিল ঝুঁকিপূর্ণ হলেও কার্যকর, এবং উপকূলীয় বাংলার বহু এলাকায় এটি দীর্ঘদিন প্রচলিত ছিল।
লোকমুখে প্রচলিত ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই অঞ্চলে নদী পার হতে প্রায়শই ‘গুন’ ব্যবহার করতে হতো বলেই স্থানটি পরিচিতি পায় ‘গুনের জায়গা’ হিসেবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় উচ্চারণ ও কথ্য রূপে ‘গুন’ শব্দটি ‘গুনা’ বা ‘গোনা’ হয়ে যায়, এবং শেষ পর্যন্ত তা ‘বরগুনা’ নামে স্থায়ী রূপ লাভ করে—এমন ধারণা অনেকের।
ভাষাতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়, বাংলার বহু স্থাননামই কোনো কার্যপ্রণালি, পেশা বা প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য থেকে উদ্ভূত। ‘গুন’ শব্দটি নৌযানচালনা ও নদীপথের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হওয়ায় এই ব্যাখ্যাটি ঐতিহাসিকভাবে যথেষ্ট গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়। এটি কেবল একটি নামের ব্যুৎপত্তি নয়, বরং বরগুনার মানুষের জীবনসংগ্রাম, নদীর সঙ্গে লড়াই এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ইতিহাসও তুলে ধরে।
পরবর্তী ধাপে বরগুনা নামের উৎস বিষয়ে রাখাইন অধিবাসী বা ব্যক্তিনামভিত্তিক ব্যাখ্যাগুলো ঐতিহাসিক ও নৃতাত্ত্বিক প্রেক্ষাপটে আলোচনা করা হবে।

রাখাইন জনগোষ্ঠী ও ব্যক্তিনামভিত্তিক তত্ত্ব
বরগুনা নামের উৎপত্তি বিষয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত ব্যাখ্যা যুক্ত রয়েছে রাখাইন জনগোষ্ঠী ও ব্যক্তিনামভিত্তিক ইতিহাসের সঙ্গে। দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে রাখাইনদের বসতি একটি সুপ্রাচীন বাস্তবতা, এবং বরগুনা অঞ্চলও তার ব্যতিক্রম নয়।
ঐতিহাসিক সূত্র ও নৃতাত্ত্বিক গবেষণায় জানা যায়, অষ্টাদশ শতকের শেষভাগে ও ঊনবিংশ শতকের শুরুতে আরাকান (বর্তমান রাখাইন রাজ্য, মিয়ানমার) অঞ্চল থেকে বহু রাখাইন পরিবার বর্মী শাসকদের নির্যাতন ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পালিয়ে এসে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে। পটুয়াখালী, বরগুনা, কলাপাড়া, গলাচিপা ও আশপাশের দ্বীপাঞ্চলে এই রাখাইন জনগোষ্ঠীর উপস্থিতি আজও সুস্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।
লোককথা অনুযায়ী, বরগুনা এলাকায় একসময় ‘বরগুনা’ বা ‘বরগোনা’ নামের একজন প্রতাপশালী রাখাইন অধিবাসী বসবাস করতেন, যিনি স্থানীয় সমাজে নেতৃত্বদানকারী বা প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর নামানুসারেই এই জনপদের নামকরণ হয়েছে—এমন বিশ্বাস অনেকের। উপকূলীয় বাংলায় ব্যক্তিনাম অনুসারে স্থাননামকরণের নজির একেবারে বিরল নয়; বহু নদী, বাজার ও গ্রাম স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তির নামেই পরিচিত হয়েছে।
আরেকটি মত অনুযায়ী, বরগুনা নামটি কোনো বাওয়ালি বা বনজীবী গোষ্ঠীর নেতার নাম থেকেও আসতে পারে। সুন্দরবন ও সংলগ্ন বনাঞ্চলে বসবাসকারী বাওয়ালিরা কাঠ সংগ্রহ, মধু আহরণ ও নদীপথে যাতায়াতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁদের কোনো একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম ‘বরগুনা’ হওয়ায় ধীরে ধীরে এলাকাটি সেই নামেই পরিচিত হয়ে ওঠে—এমন ধারণাও স্থানীয়ভাবে প্রচলিত।
এই সব ব্যাখ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—বরগুনা নামের সঙ্গে মানুষের বসতি, নেতৃত্ব ও সামাজিক প্রভাব ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নদী বা ভূপ্রকৃতিনির্ভর নামকরণের পাশাপাশি মানবকেন্দ্রিক নামকরণ এই অঞ্চলের ইতিহাসে সমান গুরুত্ব বহন করে। যদিও এই তত্ত্বগুলোর পক্ষে সুস্পষ্ট লিখিত দলিল পাওয়া যায় না, তবু লোকজ স্মৃতি, জনগোষ্ঠীর ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা এগুলোকে একেবারে অগ্রাহ্য করার সুযোগ দেয় না।
পরবর্তী ধাপে বরগুনা নামের ইতিহাস নিয়ে বিভিন্ন তত্ত্বের সমন্বিত বিশ্লেষণ ও ঐতিহাসিক গ্রহণযোগ্যতা আলোচনা করা হবে, যেখানে বোঝার চেষ্টা করা হবে—কোন ব্যাখ্যাটি সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত ও কেন।

বরগুনাতে আপনাকে স্বাগতম:
বরগুনা জেলার নামকরণ নিয়ে যে বিভিন্ন মত ও ব্যাখ্যা প্রচলিত রয়েছে, সেগুলো বিশ্লেষণ করলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে—এই নামের উৎপত্তি কোনো একক ঘটনাবিশেষের ফল নয়; বরং এটি প্রকৃতি, নদীনির্ভর জীবন, বাণিজ্যিক কার্যক্রম এবং মানুষের বসতি ও সংস্কৃতির সম্মিলিত ফল।
‘বড় গোন’ বা অনুকূল স্রোতের অপেক্ষা—এই ব্যাখ্যাটি বরগুনার ভৌগোলিক বাস্তবতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। খাকদোন নদীসহ এ অঞ্চলের নদীগুলো একসময় ছিল প্রবল স্রোতপ্রবণ। উত্তরাঞ্চল থেকে আগত কাঠ ব্যবসায়ী ও নৌযানচালকদের জন্য নিরাপদ স্রোতের অপেক্ষা করা ছিল বাস্তব ও প্রয়োজনীয় বিষয়। নদীকেন্দ্রিক ব্যবসা ও যাতায়াতের যুগে এমন ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য থেকে স্থাননাম উদ্ভূত হওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক।
অন্যদিকে, ‘গুন’ বা দড়ি টেনে নৌকা পারাপারের তত্ত্বও নদীজীবনভিত্তিক বাস্তবতার প্রতিফলন। স্রোতের বিপরীতে নৌকা চালানোর এই শ্রমসাধ্য প্রক্রিয়া স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতার অংশ ছিল, যা থেকে একটি জনপদের নাম গড়ে ওঠা ঐতিহাসিকভাবে যুক্তিসঙ্গত।
রাখাইন অধিবাসী বা বাওয়ালি নেতার নামানুসারে বরগুনা নামকরণের ধারণা আবার এই অঞ্চলের মানব ইতিহাস ও জনগোষ্ঠীগত প্রভাবকে সামনে আনে। দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জনপদগুলোতে রাখাইনদের দীর্ঘ বসবাস, তাঁদের সাংস্কৃতিক ছাপ এবং স্থানীয় সমাজে তাঁদের ভূমিকা এই তত্ত্বকে গুরুত্ব দেয়। একইভাবে, বনজীবী ও নদীনির্ভর মানুষের ব্যক্তিনাম থেকে স্থাননাম গঠনের ঐতিহ্য বাংলার ইতিহাসে নতুন নয়।
তবে সত্য হলো—বরগুনা নামকরণের বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো একক, নির্ভরযোগ্য লিখিত ঐতিহাসিক দলিল পাওয়া যায়নি। ফলে ইতিহাসবিদরা সাধারণত এই বিভিন্ন তত্ত্বকে পরস্পর পরিপূরক হিসেবেই দেখেন। নদী, স্রোত, বাণিজ্য, বসতি ও জনগোষ্ঠীর স্মৃতিই বরগুনা নামের ভিত্তি গড়ে তুলেছে বলে ধারণা করা হয়।
সবশেষে বলা যায়, বরগুনা নামটি কেবল একটি জেলার পরিচয় নয়—এটি দক্ষিণাঞ্চলের নদীভিত্তিক সভ্যতা, সংগ্রামী মানুষের জীবনধারা এবং বহু সংস্কৃতির সহাবস্থানের ইতিহাস বহন করে। নামের ভেতরেই লুকিয়ে আছে এ জনপদের ভৌগোলিক বাস্তবতা, মানবিক স্মৃতি ও ঐতিহ্যের দীর্ঘ পথচলা। বরগুনার নামকরণ তাই এক অর্থে এই অঞ্চলের সামগ্রিক ইতিহাসেরই প্রতিচ্ছবি।
১ thought on “বরগুনা জেলার নামকরণের ইতিহাস”