চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগ – বরগুনার তালতলী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শহিদুল হকের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মো. সোহাগ খান। সোমবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন।
তালতলীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগ
সংবাদ সম্মেলনে সোহাগ খান বলেন, আমার বাবা মো. হারুন খান তালতলী উপজেলার কবিরাজপাড়া বাজারে খাবার হোটেলের ব্যবসা করেন। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শহিদুল হক তার শ্বশুর মো. মাসুদ প্যাদার মাধ্যমে আমার বাবার কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।

এ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ১৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় শহিদুল হক ও তার ছেলে শাহরিয়ার নাঈম, ভাই জাহিদুল হক সোহাগ, ছোট ভাই ছোট্ট, মাসুদ প্যাদা, আলমগীর মীরসহ আরও ২০ থেকে ২৫ জন মিলে দোকানে হামলা চালিয়ে বাবাকে বেধড়ক মারধর করেন। বাবাকে মারধরের হাত থেকে রক্ষা করতে আমার মা বাধা দিলে তাকেও মারধর করা হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে আমাকে ও আমার সঙ্গে থাকা ফারুক মোল্লা ও আব্দুল হক নামের আরও দুজনকে মারধর করে। আমার দোকানে থাকা বিভিন্ন মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। পরে আহত অবস্থায় আমার মা ও বাবাকে উদ্ধার করে বরগুনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেছি।

অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শহিদুল হক বলেন, আমরা তাদের কিছুই করিনি। তারা হামলা চালিয়ে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। আমাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তালতলী থানার ওসি মো. আবুল কালাম বলেন, দুই গ্রুপের মধ্যে হামলার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুন: