বরগুনা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় বরিশাল বিভাগের একটি উপকূলীয় জেলা, যা তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মৎস্য অর্থনীতি এবং ঐতিহাসিক পটভূমির জন্য পরিচিত। জেলাটি ১৯৮৪ সালে পূর্ণ জেলার মর্যাদা লাভ করে, যা পূর্বে পটুয়াখালী জেলার অংশ ছিল। এই আর্টিকেলে আমরা মূল আর্টিকেলের লিস্টকৃত টপিকগুলোকে বিস্তারিতভাবে কভার করবো, যাতে অফিশিয়াল ডেটা, সাম্প্রতিক উন্নয়ন (২০২৫ পর্যন্ত) এবং অতিরিক্ত রিলেভেন্ট তথ্য যোগ করা হয়েছে। তথ্যসূত্রগুলো উইকিপিডিয়া, বাংলাদেশ সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এবং সাম্প্রতিক খবর থেকে সংগৃহিত। আর্টিকেলটি সেকশনে বিভক্ত করা হয়েছে যাতে পড়া সহজ হয়; প্রয়োজনে পরবর্তী ধাপে আরও বিস্তারিত করা যাবে।
এক নজরে বরগুনা জেলা

বরগুনা জেলা প্রধানত তার উপকূলীয় মৎস্য অর্থনীতি, ইলিশ মাছ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। এটি “ইলিশের জেলা” নামে পরিচিত, যেখানে পাথরঘাটা উপজেলা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য কেন্দ্র। অন্যান্য বিখ্যাত দিক: তরমুজ চাষ (বিশেষ করে আমতলী এবং বামনা উপজেলায়), নারকেল, সুপারি এবং বাঁশ-বেতের কুটির শিল্প। পর্যটনের দিক থেকে এটি লালদিয়া সি বিচ, তেঙ্গ্রাগিরি ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি, হরিণঘাটা ইকো পার্ক এবং বিবি চিনি মসজিদের জন্য আকর্ষণীয়। সাংস্কৃতিকভাবে, রাখাইন সম্প্রদায়ের উৎসব এবং লোকসংগীত (যেমন হোয়লা, কীর্তন, জারিগান) এ অঞ্চলকে সমৃদ্ধ করে। ২০২৫ সালে, রুহিতার চরকে উদীয়মান পর্যটন স্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা উপকূলীয় ইকো-ট্যুরিজমের সম্ভাবনা তুলে ধরে।
জেলায় মোট ৪২টি ইউনিয়ন রয়েছে, যা ৬টি উপজেলায় বিভক্ত। উল্লেখযোগ্য ইউনিয়ন: আমতলী উপজেলায় গুলিশাখালী, কুকুয়া, আঠারগাছিয়া; তালতলীতে পাঁচ করালিয়া, ছোট বগী; বামনায় বুকাবুনিয়া, বামনা, রামনা; পাথরঘাটায় রায়হানপুর, নাচনাপাড়া; বরগুনা সদরে বদরখালী, গৌরিচন্না; বেতাগীতে বিবিচিনি, বেতাগী। এগুলো স্থানীয় সরকারের মৌলিক ইউনিট, যা কৃষি, মৎস্য এবং উন্নয়ন প্রকল্পে সক্রিয়। ২০২৫ সালে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় ইউনিয়নগুলোতে (যেমন বেতাগী) নদীভাঙ্গন এবং জলোচ্ছ্বাসের সমস্যা দেখা দিয়েছে।
জেলার অভ্যুদয় ১৯৮৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি (১৫ ফাল্গুন ১৩৮৯ বঙ্গাব্দ), যখন এটি পটুয়াখালী জেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পূর্ণ জেলা হয়। ১৯৬৯ সালে এটি মহকুমা ছিল। ঐতিহাসিকভাবে, এ অঞ্চল সুন্দরবনের অংশ ছিল, যেখানে কাঠ ব্যবসায়ীরা “বড় গোনা” (বড় অপেক্ষা) থেকে নামকরণের উৎস হিসেবে ধারণা করা হয়; অন্যান্য থিওরি: রাখাইন বাসিন্দা বা বাউল ব্যক্তিত্ব। ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডর এ অঞ্চলকে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত করে। ২০২৫ সালে, জলবায়ু শাসনের দুর্বলতার কারণে উপকূলীয় এলাকায় চ্যালেঞ্জ অব্যাহত।
নিম্নে আমাদের বরগুনা নিয়ে করা সকল আর্টিকেল এর লিংক পেয়ে যাবেন:
- বরগুনা জেলা কিসের জন্য বিখ্যাত
- বরগুনা জেলা পরিষদের পূর্বতন চেয়ারম্যানবৃন্দ
- বরগুনা জেলার ইউনিয়ন
- বরগুনা উপজেলার ইউনিয়ন
- বরগুনা জেলার অভ্যুদয়
- বরগুনা জেলার আবাসন
- বরগুনা জেলার আবাসন জনপ্রতিনিধি
- বরগুনা জেলার আয়তন কত
- বরগুনা জেলার ইতিহাস
- বরগুনা জেলার উপজেলা
- বরগুনা জেলার কৃষি
- বরগুনা জেলার খবর
- বরগুনা জেলার জনসংখ্যা বিষয়ক তথ্য
- বরগুনা জেলার ক্রীড়াঙ্গন
- বরগুনা জেলার দর্শনীয় স্থান
- বরগুনা জেলার নদ-নদী
- বরগুনা জেলার নামকরণের ইতিহাস
- বরগুনা জেলার পটভূমি
- বরগুনা জেলার পেশা
- বরগুনা জেলার প্রশাসনিক ইউনিট
- বরগুনা জেলার বিখ্যাত খাবার
- বরগুনা জেলার বিখ্যাত ব্যক্তি
- বরগুনা জেলার বৃহৎ প্রকল্প
- বরগুনা জেলার ব্যবসা
- বরগুনা জেলার ভৌগলিক পরিচিতি
- বরগুনা জেলার মানচিত্র
- বরগুনা জেলার ম্যাপ
- বরগুনা জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা
- বরগুনা জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
- বরগুনা জেলার শিল্প প্রতিষ্ঠান
- বরগুনা জেলার সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল
- বরগুনা জেলার স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান
- বরগুনা জেলার হাট-বাজার